ঢাকা, বাংলাদেশ | ০২ এপ্রিল ২০২০, বৃহঃস্পতিবার

আর্থিক অনিয়মের শাস্তি দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক হওয়া উচিত

অর্থবার্তা ডেস্ক:

| প্রকাশিত হয়েছে: April ২, ২০১৬: ৯ টা ১৬ মিনিটে

দেশে-বিদেশে এখন ব্যাপক আলোচিত ঘটনা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ চুরি। এর আগে ব্যাংক খাতে আরও বেশ কিছু অনিয়ম ঘটেছে। এসব ঘটনায় ব্যাংক খাতের ওপর একধরনের নেতিবাচক ধারণাও তৈরি হয়েছে। রিজার্ভের চুরি যাওয়া অর্থ আদৌ ফেরত পাওয়া যাবে কি না, এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ব্যাংক খাতে হাজার হাজার কোটি টাকার অনিয়ম করেও ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকার নজির তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় করণীয় কী? তা নিয়ে কথা বলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও বর্তমানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সালেহউদ্দিন আহমেদ।

ব্যাংক খাতে সাম্প্রতিক সময়ের কেলেঙ্কারির ঘটনাগুলো নিয়ে আপনার কী মতামত?
সালেহউদ্দিন আহমেদ: ব্যাংক খাতে কয়েক বছর ধরে বেশ কিছু কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটেছে। কিছু কেলেঙ্কারি ঘটেছে তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার করে আর কিছু ঘটনা সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের ভেতরে অনিয়ম ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে অর্থ আত্মসাতের। সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকে কেলেঙ্কারির যেসব ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো হয়েছে মূলত ব্যবস্থাপনা ও তদারকি দুর্বলতা এবং সুশাসনের অভাবে। এ ক্ষেত্রে আমি বলব বাংলাদেশ ব্যাংকের যে কঠোর অবস্থান গ্রহণের দরকার ছিল, সেটি হয়নি। এ ছাড়া অর্থ আত্মসাতের কেলেঙ্কারির পুনরাবৃত্তির জন্য দায়ী–দোষীদের দ্রুত ও দৃশ্যমান শাস্তি না হওয়া। একটি কেলেঙ্কারির পর দায়ীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ও বিভাগীয় যে ধরনের দৃশ্যমান শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিল, সেটি করা সম্ভব হয়নি। ফলে একটির পর আরেকটির পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। আর তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে যেসব কেলেঙ্কারি ঘটেছে, সেখানে আমি বলব প্রযুক্তির খারাপ প্রভাব কী হতে পারে সে বিষয়ে আমরা সম্যকভাবে অবগত ছিলাম না। যার কারণে প্রযুক্তির অনেক দুর্বলতা ছিল। সেটিকেই কাজে লাগানো হয়েছে।

প্রযুক্তির ব্যবহারে আমরা যত দ্রুত এগিয়েছি, তার বিপরীতে নিরাপত্তার বিষয়টি অবহেলিত ছিল?
সালেহউদ্দিন আহমেদ: বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তি এমন একটি বিষয়, যেটির খারাপ প্রভাব আছে জেনেও তা থেকে দূরে থাকা সম্ভব না। তাই যখনই ব্যাংক খাতে নানা প্রযুক্তির সূচনা করা হয়েছিল, তখনই সেগুলোর নিরাপত্তার বিষয়ে গভীর মনোযোগ দেওয়া উচিত ছিল। ভাবা দরকার ছিল, যদি এ ধরনের প্রযুক্তি কখনো খারাপ লোকের হাতে পড়ে, তাহলে তার কুফল কী হতে পারে। কিন্তু সেই বিবেচনাটি আমাদের এখানে সব ক্ষেত্রে যথাযথভাবে করা হয়েছে বলে মনে হয় না। এ ছাড়া প্রযুক্তি প্রতিদিন পরিবর্তিত হয়। সেই অনুযায়ী, নিজেদের ব্যবস্থাটিকে সুরক্ষিত করার জন্য যে ধরনের দক্ষ, প্রশিক্ষিত জনবলের দরকার, সেটিও গড়ে তোলা হয়নি। মনে রাখতে হবে, প্রযুক্তির পেছনেও কিন্তু মানুষ জড়িত থাকে। তাই মানুষের দক্ষতা না বাড়িয়ে শুধু প্রযুক্তির দক্ষতা দিয়ে খুব বেশি সুফল পাওয়া যাবে না।

আপনি আর্থিক কেলেঙ্কারির বিষয়ে দোষীদের শাস্তির বিধান না হওয়ার কথা বলছিলেন। এ কারণে কি অপরাধীরা উৎসাহিত হচ্ছে?
সালেহউদ্দিন আহমেদ: অবশ্যই। আর্থিক খাতের বেশ কিছু ঘটনায় আমরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ার নজির দেখেছি। যখন একজন অপরাধী অপরাধ করেও পার পেয়ে যান, তখন অন্য অনেকে অপরাধে উৎসাহিত হন। যদি কেউ দেখেন এক হাজার কোটি টাকা লুট করে কয়েক বছর জেল খেটে পার পাওয়া যায়, তাহলে তিনি তো সেই পথই বেছে নেবেন। তাতে তাঁর লাভ বেশি। বেসিক ব্যাংক, হল-মার্ক, বিসমিল্লাহ গ্রুপের ব্যাংক কেলেঙ্কারির বেলায় সেই নজিরই তো দেখলাম। রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকের ওপর না হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণজনিত কিছু দুর্বলতা রয়েছে। কিন্তু বেসিক ব্যাংকের ক্ষেত্রে তো বাংলাদেশ ব্যাংক কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারত। কিন্তু সেটি করা হয়নি। এসব ঘটনার ফলে যাঁরা দক্ষ, সৎ ও ভালো লোক আছেন, তাঁরা ক্রমশ মনোবল হারিয়ে ফেলেছেন। আমি মনে করি যেকোনো আর্থিক অনিয়মের শাস্তি দ্রুত, দৃশ্যমান ও দৃষ্টান্তমূলক হওয়া উচিত। সেটি হলে অপরাধপ্রবণতা কমবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনাটির জন্য কাকে দায়ী করবেন?.
সালেহউদ্দিন আহমেদ: এ ঘটনা এখনো তদন্তাধীন। তাই এ বিষয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব না। তবে আমি মনে করি, এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের দিক থেকে প্রযুক্তিগত কিছু ঘাটতি বা দুর্বলতা তো ছিলই। এখন পর্যন্ত সংবাদপত্রসহ বিভিন্নভাবে যতটুকু জানতে পেরেছি তাতে দেখা যাচ্ছে, চুরির সঙ্গে জড়িতদের অনেক তথ্যই পাওয়া যাচ্ছে না। তার মানে তথ্য সংরক্ষণে যথেষ্ট বা প্রয়োজনীয় ব্যাকআপ ছিল না। ব্যাকআপ থাকলে তো এমন হওয়ার কথা না। আবার জানলাম, ড্রিলিং রুমে সুইফটের সঙ্গে যুক্ত প্রিন্টার কাজ করছে না জানার পরও দ্রুত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তার মানে সেখানে যাঁরা দায়িত্ব পালন করতেন, তাঁরা বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবনে ব্যর্থ হয়েছেন। তবে আমার কাছে অবাক ও আশ্চর্যের লাগছে, সুইফটের সঙ্গে প্রিন্টারে সংযোগের ক্ষেত্রেও কোনো বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়নি। এটি কীভাবে সম্ভব?

তাহলে কি দায়িত্বশীলদের মধ্যে দায়িত্বের ভার বা গুরুত্ব অনুধাবনের ঘাটতি ছিল?
সালেহউদ্দিন আহমেদ: এখন পর্যন্ত যেসব তথ্য, তাতে তো তেমনিই মনে হচ্ছে। এখানে দেখার বিষয় কতটা দায়িত্বের অবহেলা হয়েছে আর কতটা অজ্ঞতার অভাবে হয়েছে। এখন সময় এসেছে, প্রযুক্তির ব্যবহারের সঙ্গে যাঁরা জড়িত তাঁদের পাশাপাশি শীর্ষ পর্যায়ে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদেরও প্রযুক্তি সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখতে হবে। আবার সরাসরি যাঁরা ব্যবহারের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন, তাঁদের সততা, দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই।

আপনি কি মনে করেন রিজার্ভের চুরি যাওয়া অর্থ ফেরত আসবে?
সালেহউদ্দিন আহমেদ: চুরি যাওয়া অর্থ ফিরে পাওয়া যাবে সেটি মনে হয় না। তবে অন্যভাবে বাংলাদেশের এ অর্থ ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

কীভাবে এ অর্থ ফিরে পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন?
সালেহউদ্দিন আহমেদ: রিজার্ভের চুরি যাওয়া অর্থ গেছে শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইনে। এরই মধ্যে শ্রীলঙ্কার অর্থ ফেরত এসেছে বলে শুনেছি। ফিলিপাইনে যে অর্থ গেছে, তার সিংহভাগই ক্যাসিনো হয়ে অন্যত্র চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এখানে আশার বিষয়, ফিলিপাইনের সরকার, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিষয়টি নিয়ে বেশ তৎপর। হয়তো চুরি যাওয়া অর্থের পুরোটা পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে না। তবে সে দেশের সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক চাইলে অর্থ লেনদেনের সঙ্গে যে ব্যাংক ও ব্যক্তিরা জড়িত, তাঁদের জরিমানার মাধ্যমে পুরো অর্থ আদায় করতে পারে। ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংক যে কাজটি করেছে সেটি কোনোভাবে ব্যাংকিং শৃঙ্খলা বা বিধিবিধানের মধ্যে পড়ে না। আমি যেটুকু জানি, সে দেশে রিজাল ব্যাংকের বেশ সুনাম রয়েছে। এখন দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক চাইলে জরিমানার মাধ্যমে ওই ব্যাংকের কাছ থেকে পুরো অর্থ আদায় করতে পারে। ৮০০ কোটি টাকা রিজাল ব্যাংকের জন্য হয়তো খুব বেশি অর্থ না। যদি ব্যাংকটি তার সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে চায়, তবে আমি মনে করি ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের উচিত এ অর্থ ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা।

আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কি এ অর্থ ফিরিয়ে আনা সম্ভব? আমরা তো দেখছি বাংলাদেশ ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রের ফেডের বিরুদ্ধে মামলা করা যায় কি না, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
সালেহউদ্দিন আহমেদ: চুরি যাওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারের আন্তর্জাতিক কিছু বিধিবিধান ও নিয়মনীতি রয়েছে। তবে সেটি খুবই দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। আমি মনে করি, বাংলাদেশ ব্যাংকের উচিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের পাশাপাশি সমঝোতার মাধ্যমে অর্থ ফেরত পাওয়ার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া। যদি ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর চাপ তৈরি করা যায়, তাহলে জরিমানার মাধ্যমে হলেও তারা এ অর্থ ফিরিয়ে দিতে উদ্যোগী হবে। সেটি হলে দ্রুত এ অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ফেডের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ রয়েছে কি না, সেটি আমি জানি না। তাদের দিক থেকেও কিছু ঘাটতি থাকলেও থাকতে পারে। সেটি খতিয়ে দেখা যেতে পারে।

এখন পর্যন্ত আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি তাতে ফেড ৩০টি পরামর্শ আটকে দিয়েছিল। বাকি পাঁচটি পরামর্শ কার্যকর করায় তাতে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চলে গেছে। চাইলে কি ওই পাঁচটি পরামর্শ আটকাতে পারত ফেড?
সালেহউদ্দিন আহমেদ: পদ্ধতিটিই এমন, যেখানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্থ স্থানান্তরের পরামর্শ কার্যকর করা হয়। সে কারণেই হয়তো পাঁচটি পরামর্শ কার্যকর হয়ে গেছে। তবে আমার মনে হয়, উভয় পক্ষের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ সম্ভব হলে পুরো অর্থ ব্যাংক ব্যবস্থায় আটকে ফেলা যেত। তবে এখানে আমি বলব একটি বিষয় খতিয়ে দেখা দরকার। ফেডে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থ সংরক্ষিত থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থ লেনদেনের একটি ধরন আছে। ফেড থেকে মধ্যস্থতাকারী অন্য ব্যাংক হয়ে যখন একটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিপুল অর্থ ব্যক্তির হিসাবে যাচ্ছে, তখন সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর এ নিয়ে সতর্ক হওয়ার সুযোগ ছিল। আন্তর্জাতিকভাবে এখন বলা হয়, ব্যাংক ব্যবস্থায় একসঙ্গে বিপুল অর্থের লেনদেন হলে সেই অর্থের সুবিধাভোগী কারা তা খতিয়ে দেখতে হবে। তাহলে এ ক্ষেত্রে সেটি করা হয়েছে কি না, তা দেখা দরকার।

রিজার্ভের অর্থ চুরি, তার আগে বেশ কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংকের কার্ড জালিয়াতির কোনো প্রভাব কি ব্যাংক খাতের ওপর পড়বে বলে মনে করেন?
সালেহউদ্দিন আহমেদ: ব্যাংক খাতে একের পর এক কেলেঙ্কারির ঘটনায় এ খাতের ওপর গ্রাহকদের আস্থা নড়বড়ে হয়ে যাচ্ছে। অন্যান্য ব্যাংকের কেলেঙ্কারির পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভের চুরির ঘটনায় সেই আস্থাহীনতা হয়তো আরও প্রবল হতে পারে। এ ছাড়া বিশ্বের অন্যান্য দেশের ব্যাংক যখন দেখবে এখানকার ব্যাংকে নানা কেলেঙ্কারি হয় কিন্তু কোনো শাস্তি হয় না, তখন তাদের মনেও প্রশ্ন তৈরি হবে। বৈশ্বিক লেনদেনের ক্ষেত্রে তারাও বাংলাদেশের ব্যাংকের ওপর ভরসা রাখার বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করবে। তবে আমি মনে করি, এখনো সেই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। ঘটনা যা ঘটার ঘটেছে। এখন যদি অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি ও ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়, তাতে আস্থার সংকট কাটিয়ে ওঠা যাবে।

এ ক্ষেত্রে করণীয় বিষয়ে আপনার কি কোনো পরামর্শ আছে?
সালেহউদ্দিন আহমেদ: বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনার বিষয়ে এখন করণীয় সম্পর্কে আমার পরামর্শ হলো—অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগের পাশাপাশি এ ঘটনার সব তথ্য অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে সবাইকে অবগত করা উচিত। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের স্বার্থের চেয়ে দেশের স্বার্থকে সবার আগে বিবেচনায় নিতে হবে। সে জন্য এ ঘটনার কোনো তথ্য ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা এখন আর কোনোভাবেই কাম্য নয়। যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হবে সেগুলো দৃশ্যমান করতে হবে। তাতে আমার ধারণা দেশে-বিদেশে একটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছাবে। আর ধামাচাপার চেষ্টা হলে তাতে বহুমাত্রিক ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি।

Print Friendly, PDF & Email