ঢাকা, বাংলাদেশ | ০৩ এপ্রিল ২০২০, শুক্রবার

বড় খেলাপি তদারকিতে প্রত্যেক ব্যাংকে বিশেষ মনিটরিং সেল

অর্থবার্তা ডেস্ক

| প্রকাশিত হয়েছে: July ২২, ২০১৯: ১৯ টা ৫৪ মিনিটে

বড় ঋণখেলাপিদের তদারকিতে আনতে প্রত্যেক ব্যাংকে বিশেষ মনিটরিং সেল গঠনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই সেল ১০০ কোটি টাকা বা তার বেশি স্থিতি বিশিস্ট খেলাপি ঋণের আদায় বৃদ্ধিকরণ এবং খেলাপিঋণের পরিমাণ ও ঋণগ্রহীতার সংখ্যা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করবে। সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে দেশের সব তফসীলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সার্কূলারে বলা হয়েছে, খেলাপিঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনার লক্ষে তফসিলী ব্যাংকগুলোর অপরাপর খেলাপিঋণসহ ১০০ কোটি টাকা বা এর বেশি স্থিতি বিশিস্ট খেলাপিঋণ হিসাবসমূহ নিবিড় তদারকি একান্ত আবশ্যক। সার্কুলার অনুযায়ী, এ সেলের প্রধান হবেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা। এছাড়া সেলে প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল রাখার কথা বলা হয়েছে।

সার্কুলারে আরো বলা হয়, এ সেল নির্দিস্ট ত্রৈমাসিক বিবরণীতে ঋণ আদায়ে অগ্রগতিসহ যাবতীয় তথ্য তাঁদের ব্যাংকের পর্ষদ সভায় উপস্থাপনের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের টাস্কফোর্স সেলে দাখিল করবে। এ বিবরণীতে প্রদর্শিত খেলাপিঋণ পুনঃতফসিল কিংবা অন্য কোন কারণে নিয়মিত বলে গণ্য হলেও নিয়মিত হওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী ৮টি ত্রৈমাসিক পর্যন্ত তা বিবরণীতে অন্তর্ভুক্ত রাখতে হবে। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে এ বিবরণী পর্যালোচনা নিশ্চিত করবে। এছাড়া ঋণের বকেয়া আদায়ের নিমিত্তে ব্যাংক ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ একটি সময়াবদ্ধ পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে এবং পরিচালনা পর্ষদ উক্ত পরিকল্পনার বাস্তবায়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

গত ২২ জুন জাতীয় সংসদে শীর্ষ ৩০০ খেলাপির তালিকা দেন অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল। এর মধ্যে ১০০ কোটি টাকা বা এর বেশি ঋণখেলাপি রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৭৭টি। ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপিঋণের প্রায় এক তৃতীয়াংশ রয়েছে এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে, যার পরিমাণ প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা।

Print Friendly, PDF & Email