ঢাকা, বাংলাদেশ | ০২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার

নগদ প্রণোদনা ও ঈদের কারণে বাড়ছে রেমিট্যান্স

জুলাইতে এসেছে ১৬০ কোটি ডলার

অর্থবার্তা ডেস্ক

| প্রকাশিত হয়েছে: August ৫, ২০১৯: ১৮ টা ৪৪ মিনিটে

২ শতাংশ নগদ প্রণোদনার আশায় ব্যাপকহারে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন প্রবাসীরা। এছাড়া কোরবানির ঈদের কারণেও পরিবার ও নিকটাত্মীয়ের কাছে বেশি রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন তাঁরা। ফলে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইতে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে বড় অঙ্কের রেমিট্যান্স এসেছে, এর পরিমাণ প্রায় ১৬০ কোটি ডলার। এটি আগের মাস জুনের চেয়ে প্রায় ২৩ কোটি ডলার এবং গত অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ের চেয়ে প্রায় ২৯ কোটি ডলার বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বশীর কর্মকর্তারা বলছেন, রেমিট্যান্স বৃদ্ধির বড় কারণ ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা ও সামনের কোরবানির ঈদ। এছাড়া টাকার বিপরীতে ডলারের দাম বৃদ্ধি, হুন্ডি প্রতিরোধসহ নানা পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ বাড়ছে। বিশেষ করে ২০১৮ সালের শুরু থেকে বৈধপথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
জানা যায়, বৈধ পথে প্রবাসী আয় দেশে আনতে চলতি অর্থবছর থেকে ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। ১ জুলাই থেকেই এটি কার্যকর হবে। এজন্য বাজেটে তিন হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
ঈদুল ফিতরের আগের মাস মে মাসে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে দেশে। ঐ মাসে প্রায় ১৭৪ কোটি ৮১ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে। এটি ছিল একক মাস হিসেবে এ যাবতকালের সর্বোচ্চ। এর পরের মাস জুনে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেশ খানিকটা কমে দাঁড়ায় ১৩৬ কোটি ৪২ লাখ। তবে জুলাইতে সেটি আবার বেড়ে হয়েছে ১৫৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলার। এছাড়া গত অর্থবছরের পুরো সময়েও রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ব্যাংকিং চ্যানেলে এক হাজার ৬৪১ কোটি ৯৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে। যা দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ। আগের ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রেমিট্যান্স আসে এক হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার। এই হিসাবে গত অর্থবছরে রেমিট্যান্স বেড়েছে সাড়ে ৯ শতাংশ। এর আগে গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সর্বোচ্চ এক হাজার ৫৩২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স আসে।

Print Friendly, PDF & Email